হবিগঞ্জের মাধবপুরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদ করা ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে ফখরুল ইসলাম সোহেল নামে এক সিএনজি চালকের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রায় দুই মাস ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হলেও অতিরিক্ত বিল নিয়ে প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে না বলেও তাকে জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফখরুল ইসলাম সোহেল মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় সিএনজি চালক এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রার্থী। স্থানীয়দের কাছে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলার আপস বা নিষ্পত্তির জন্য হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী মো. ইসমাত কামালের পক্ষ থেকে তার কাছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে।
সোহেল জানান, প্রায় দুই মাস ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং বিষয়টির দ্রুত সমাধানের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি।
এ বিষয়ে মামলার বাদী পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের জিএম স্যার বিষয়টি সমাধান করবেন। আমার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। আমার কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার মালিক।
পল্লী বিদ্যুতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে না। তবে মামলার আপস বা নিষ্পত্তির জন্য অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
স্থানীয় আইনজীবীরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়ে থাকলে সেটি আদালতের স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায় চলবে। মামলার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা সমাধানের উপায় হতে পারে না।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী মো. ইসমাত কামাল বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না।
তবে মামলা চলমান থাকার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার বিধিমালা বা আইনি ভিত্তি কী—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।
ভুক্তভোগী ফখরুল ইসলাম সোহেল বলেন, দুই মাস ধরে আমি বিদ্যুৎবিহীন। আমি পল্লী বিদ্যুতের লোকজনের সঙ্গে কোনো অন্যায় করিনি। আমাকে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তদন্তেই তা প্রমাণ হবে।
তিনি আরও বলেন, স্কুলপড়ুয়া সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে খুব কষ্টে আছি। দপ্তরে দপ্তরে ঘুরেও কোনো সমাধান পাচ্ছি না। আমি সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপপরিচালক জুলহাস উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কোনো সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করতে চাইলে তাকে পত্র দিয়ে জানাতে হবে। আমরা আশাবাদী, জিএম সাহেব বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করবেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হলেও অতিরিক্ত বিল নিয়ে প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে না বলেও তাকে জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফখরুল ইসলাম সোহেল মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় সিএনজি চালক এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রার্থী। স্থানীয়দের কাছে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলার আপস বা নিষ্পত্তির জন্য হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী মো. ইসমাত কামালের পক্ষ থেকে তার কাছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে।
সোহেল জানান, প্রায় দুই মাস ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং বিষয়টির দ্রুত সমাধানের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি।
এ বিষয়ে মামলার বাদী পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের জিএম স্যার বিষয়টি সমাধান করবেন। আমার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। আমার কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার মালিক।
পল্লী বিদ্যুতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে না। তবে মামলার আপস বা নিষ্পত্তির জন্য অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
স্থানীয় আইনজীবীরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়ে থাকলে সেটি আদালতের স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায় চলবে। মামলার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা সমাধানের উপায় হতে পারে না।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী মো. ইসমাত কামাল বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না।
তবে মামলা চলমান থাকার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার বিধিমালা বা আইনি ভিত্তি কী—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।
ভুক্তভোগী ফখরুল ইসলাম সোহেল বলেন, দুই মাস ধরে আমি বিদ্যুৎবিহীন। আমি পল্লী বিদ্যুতের লোকজনের সঙ্গে কোনো অন্যায় করিনি। আমাকে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তদন্তেই তা প্রমাণ হবে।
তিনি আরও বলেন, স্কুলপড়ুয়া সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে খুব কষ্টে আছি। দপ্তরে দপ্তরে ঘুরেও কোনো সমাধান পাচ্ছি না। আমি সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপপরিচালক জুলহাস উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কোনো সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করতে চাইলে তাকে পত্র দিয়ে জানাতে হবে। আমরা আশাবাদী, জিএম সাহেব বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করবেন।
অনলাইন ডেস্ক